Posts
Showing posts with the label Memoir
Malay roychoudhury : My Photographer Ancestors
- Get link
- X
- Other Apps
আমার ফোটোগ্রাফার পূর্বপুরুষদের গল্প মলয় রায়চৌধুরী আমার ঠাকুর্দা লক্ষ্মীনারায়ণ রায়চৌধুরী (জন্ম: জানুয়ারি ১১, ১৮৬৬ - মৃত্যু: নভেম্বর ৮, ১৯৩৩) ভারত উপমহাদেশের প্রথম ‘ভ্রাম্যমাণ’ পেশাদার আলোকচিত্রী-চিত্রকরদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। দাদু ১৮৬৬-তে, বর্তমানে যা পাকিস্তান, সেখানে রায়চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি - ফোটোগ্রাফার্স অ্যান্ড আর্টিস্টস নামে একটা ‘ভ্রাম্যমাণ’ সংস্হা আরম্ভ করেছিলেন; সংস্হা বলতে তিনি আর তাঁর যুবক-তরুণ ছেলেরা, কেন-না কোনো নির্দিষ্ট দোকান উনি প্রথমে খোলেননি, যাঁরা ফোটো তোলাতে চাইতেন, বেশির ভাগই রাজ-ঘরানা বা ধনী পরিবারের সদস্যরা, তাঁদের বাড়ি গিয়ে ফোটো তুলে কিংবা সেই ফোটো থেকে পেইনটিং এঁকে ডেলিভারি দিতে হত, ফলে শহরে-গঞ্জে ঘুরে-ঘুরে ফোটো তুলতে হত ওনাকে। নবাব বা রাজাদের ঘোড়ার বা উটের গাড়ি এসে ওনাকে নিয়ে যেত। এখনকার পাকিস্তানের প্রায় সমস্ত শহরে উনি ফোটো তুলতে যেতেন। সবই আমার ঠাকুমা এবং বড়োজেঠা ও বাবার মুখে শোনা। মহারাজা রঞ্জিত সিংহ সম্পর্কে গালগল্পে প্রভাবিত হয়ে ঠাকুমা বাবার নাম রেখেছিলেন রঞ্জিত। ১৯৩৩-তে দাদা সমীর রায়চৌধুরীর জন্মের কয়েকদিন পরেই দাদু মারা যান। দাদু মারা যাবার ...
মলয় রায়চৌধুরী : ছোটোলোকের শেষবেলা
- Get link
- X
- Other Apps
ছোটোলোকের শেষবেলা : মলয় রায়চৌধুরী এক ছোটোবেলা আর যুববেলার সবকিছু পালটে গেছে ; ইমলিতলা পাড়ার গোলটালির চালাবাড়িগুলো হয়ে গেছে ইঁটের দাঁত বেরোনো একতলা-দুতলা । আমাদের বাড়িটা চেনা যায় না । সামনের লাল রোয়াক, যার ওপরে বসে কপিলের দাদু বাচ্চাদের গালাগাল শেখাতেন, সেখান থেকেই দেয়াল উঠে গেছে ; যারা থাকে, তারা উঠোনে গরু পুষেছে, দেয়ালময় ঘুঁটে দেয়া, খোলা ছাদ নেই, ঘর উঠে গেছে, বাঁদরগুলোর দল শহর ছেড়ে চলে গিয়ে থাকবে । কপিলের প্রজন্মের কেউ বেঁচে নেই, আর নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা আমার নাম জানে ভুখি পিঢ়ি আন্দোলনের সংবাদ পড়ে । গলির ভেতরের চালাবাড়িগুলোও ইঁটের ; সব নতুন মুখ । চোর-ডাকাতদের শুয়োর মারবার আর গাঁজার ঝোপের বস্তিতে উঠেছে একতলা বাড়ি । মহাদলিতদের পাড়া দখল করে নিয়েছে মধ্যবিত্ত মধ্যজাত চাকুরে পরিবার । কুলসুম আপাদের বাড়ি ভেঙে শিয়া মুসলমান চারতলা আবাসন , মহিলারা বোরখায় । নাজিম-কুলসুম আপারা অন্য কোথাও চলে গেছে । কুলসুম আপা, আভাসে মনে হলো, আরব দেশে চলে গেছেন । মসজিদটায় কেউ আর খেলতে ঢোকে বলে মনে হলো না, কেমন যেন ঘিঞ্জি আর নোংরা, যদিও বিশাল মিনার উঠেছে । ইমলিতলায় বাবা-জেঠার প্রজন্মের কেউই নেই, আমার...