মলয় রায়চৌধুরীর উত্তরাধুনিক গল্প : তমে কেবি ছে ? সরস !
“দ্যাখো, দ্যাখো, ওই তো টিভিতে শাহেনশাহের ঘোষণা পড়ে শোনাচ্ছে মোটোভাই । ক’দিন ধরে খবরের কাগজেও দিচ্ছে, সুযোগটা আমাদের নেয়া দরকার, সংসারের যা অবস্হা, তোমার চাকরি চলে গিয়ে”। স্বামী যতীনকে বলল অমৃতা । “আরে শাহেনশাহ আর মোটোভাইয়ের কথা বাদ দাও তো, সকলের অ্যাকাউন্টে আপনা থেকে টাকা আসবে বলেছিল শাহেনশাহ, উলটে আমাদের ব্যাঙ্কটাই লাটে উঠে গেল।” বলল যতীন। “ফোন করে দ্যাখোই না, পাড়ার নিতাইরা তো বাড়ির সবাইকে নিয়ে ট্রাই করতে গেছে, নিশ্চয়ই পুরস্কার নিয়ে ফিরবে, দলে দলে লোক যাচ্ছে, সারা রাজত্বে সাড়া পড়ে গেছে।” বলল অমৃতা । “তুমিই ফোন করো, আমার তো মেজাজ খিঁচিয়ে থাকে, মুখ ফসকে যা-তা বলে ফেলবো, আর মোটাভাই চটে যাবে, ওর স্যাঙাতরা চটে গেলে আরও বিপদ ।” বলল যতীন । টিভিতে, খবরের কাগজে ফোন নম্বর দেয়া ছিল । মোবাইলে নম্বর আগেই সেভ করে রেখেছিল অমৃতা। ফোন করতেই ওদেক থেকে গম্ভীর কন্ঠস্বর...